হোম মাদরাসা কার্যক্রম হালাকাহ ডিপ্লোমা আমাদের সম্পর্কে সহায়তা যোগাযোগ ফেসবুক পেজ ইউটিউব চ্যানেল

আমাদের সম্পর্কে

কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক বিশুদ্ধ আকিদা প্রসারে নিবেদিত একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান

আমাদের পরিচিতি

মারকাযুল ঈমান (মাদরাসা) একটি শিক্ষা, দাওয়াহ ও সেবামূলক দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক বিশুদ্ধ আকিদা প্রসার, ফরজে আইন ইলমের শিক্ষা বিস্তার এবং সমাজে দ্বীনি সচেতনতা তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

সাহাবাদের মতো প্রজন্ম গড়তে নববী আদর্শে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি উপশহর, বগুড়াতে অবস্থিত। ১৪৪৬ হিজরী / ২০২৫ ঈসায়ী সনে প্রতিষ্ঠিত।

আমাদের লক্ষ্য

শিক্ষা, দাওয়াহ ও সেবার সমন্বয়ের মাধ্যমে কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক একটি সচেতন, আমলনিষ্ঠ ও আদর্শ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখা। আমরা চাই প্রতিটি মুসলমান তার দ্বীনের মৌলিক জ্ঞান অর্জন করুক এবং সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করুক।

আমাদের মূল্যবোধ

📖

কুরআন ও সুন্নাহ

সকল কার্যক্রম কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে পরিচালিত। বিশুদ্ধ আকিদা ও আমলের প্রতি অবিচল নিষ্ঠা।

🎓

ফরজে আইন ইলম

প্রতিটি মুসলমানের জন্য অপরিহার্য দ্বীনি জ্ঞান সহজ ও আকর্ষণীয় পদ্ধতিতে পৌঁছে দেওয়া।

🤲

দাওয়াহ ইলাল্লাহ

আল্লাহর দিকে আহ্বান — হিকমত ও উত্তম নসীহতের মাধ্যমে মানুষকে সত্যের পথে পরিচালিত করা।

🤝

মানবসেবা

দরিদ্র, অসহায় ও দুর্যোগপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো — ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী পারস্পরিক সহযোগিতা।

আমাদের কার্যক্রমের পরিধি

আমাদের কার্যক্রম তিনটি মূল শাখায় বিভক্ত:

১. শিক্ষা কার্যক্রম: কুইজ ভিত্তিক শিক্ষা, ৭টি মসজিদভিত্তিক মক্তব, ফরজে আইন কোর্স, বিনামূল্যে কুরআন শিক্ষা এবং সালাত ক্যাম্পেইন।

২. দাওয়াহ কার্যক্রম: সাপ্তাহিক কুরআনী হালাকাহ, মাসিক দ্বীনি হালাকাহ, পাক্ষিক ঈমানী মুযাকারা এবং গ্রামাঞ্চলে মসজিদভিত্তিক দাওয়াহ।

৩. সেবা কার্যক্রম: সাহরি-ইফতার প্রজেক্ট, কুরবানি প্রজেক্ট, শীতবস্ত্র বিতরণ, করজে হাসানাহ এবং দুর্যোগকালীন সহায়তা।

আমাদের পথচলা

আন-নিয়ামাহ ফাউন্ডেশন থেকে মারকাযুল ঈমান: চ্যানেলের প্রকাশিত ঘোষণা ধরে সাজানো

  1. মে ২০২৪

    আন-নিয়ামাহ ফাউন্ডেশন নামে যাত্রা শুরু। হাউজিং এস্টেট জামে মসজিদে সাপ্তাহিক কুরআনী হালাকাহ, টেলিগ্রামে সরাসরি সম্প্রচার।

  2. জুন ২০২৪

    প্রথম কুরবানি কুইজ ও কুরবানির হাদিয়া প্রকল্প। ৬১ কেজি মাংস ৩২টি দ্বীনদার পরিবারে।

  3. সেপ্টেম্বর–অক্টোবর ২০২৪

    সীরাত পাঠ ও প্রতিযোগিতা: ৩০ দিনে ৩০ সবক, দুই বেলা ক্লাস, কুইজ ও সনদ।

  4. নভেম্বর ২০২৪

    ফরজে আইন কোর্স শুরু। মসজিদভিত্তিক মক্তব প্রকল্পের কাজ চলতে থাকে।

  5. জানুয়ারি ২০২৫

    সপ্তম মক্তব চালু।

  6. মার্চ ২০২৫

    রমাদান প্রকল্প, রমাদান কুইজ ও কুরআনের তরজমা দরস। এ সময় থেকে "মারকাযুল ঈমান" নাম ব্যবহার শুরু।

  7. ২০ জুন ২০২৫

    মাদরাসা উদ্বোধন ও কুরআনী সন্ধ্যা। অতিথি: শাইখুল হাদীস মাওলানা আব্দুল হান্নান (রওশন শাহ মাদরাসা)।

  8. অক্টোবর ২০২৫

    মাদরাসা বর্তমান ঠিকানা (১৮ নং রোড, আটাপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন) স্থানান্তরিত। উস্তাদের ওমরাহ সফর।

  9. জানুয়ারি ২০২৬

    আন-নিয়ামাহ ফাউন্ডেশন এখন থেকে মারকাযুল ঈমানের দাওয়াহ বিভাগ (Qism ad-Dawah wa at-Takwin)। সালাত ক্যাম্পেইন শুরু।

  10. ফেব্রুয়ারি–আগস্ট ২০২৬

    রমাদান, কুরবানি, তাহারাত ও সালাত কুইজ। কিতাব বিভাগের ইফতিতাহী দারস (৬ এপ্রিল)।

  11. ১ আগস্ট ২০২৬

    ডিপ্লোমা ইন উলূমুশ শারীআহ, ১ম ব্যাচের ক্লাস শুরু।

  12. ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

    ৩২ পর্বের সীরাত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

তত্ত্বাবধানে

আমাদের কাজ যাঁদের নেগরানীতে চলে

মুফতি আনিছুর রহমান (হাফিঃ)

প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, মারকাযুল ঈমান

খতিব, বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদ, শেরে বাংলা নগর, বগুড়া।
ইমাম, হাউজিং এস্টেট জামে মসজিদ, উপশহর, বগুড়া।

অতিথি ও পৃষ্ঠপোষক আলেমগণ

নিয়মিত মজলিশ ও উদ্বোধনী দারসে

মুফতি মামুনুর রশীদ কাসেমী, শাইখুল হাদীস, মারকাজুল হিকমাহ, ডেমরা, ঢাকা।
মাওলানা কাজী ফজলুল করিম, শাইখুল হাদীস, কারবালা মাদরাসা, বগুড়া।

আমাদের বিভাগ

মাদরাসা ও দাওয়াহ — দুই বিভাগে কাজ চলছে

মাদরাসা

  • নূরানী
  • নাজেরা
  • হিফজ
  • জেনারেল (শিশু, প্রথম)
  • কিতাব (ইবতেদায়ি, ১ম ও ২য় বর্ষ)

আবাসিক ও অনাবাসিক দুই ব্যবস্থাই আছে।

দাওয়াহ বিভাগ

  • ডিপ্লোমা ইন উলূমুশ শারীআহ
  • আদাবুল ইলম
  • এসো আরবি শিখি
  • তাজবীদ
  • আকীদা
  • ফিকহ
  • সাপ্তাহিক হালাকাহ

সাথে চলে সাহরি-ইফতার, কুরবানি ও কুইজ প্রতিযোগিতার মতো প্রজেক্ট।

মাদরাসার নিয়ম-কানুন

ভর্তির আগে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর জেনে রাখা ভালো

  1. মাদরাসার প্রতি ভক্তি-ভালোবাসা থাকতে হবে।
  2. পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে আদায় করতে হবে।
  3. উস্তাদের প্রতি ভক্তি, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থাকতে হবে।
  4. শরীয়তবিরোধী কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং সুন্নতি পোশাক পরতে হবে।
  5. কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া মারকাযের সীমানা ত্যাগ করা যাবে না।
  6. স্মার্টফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ।
  7. কোনো রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক দল, সংগঠন বা মিটিং-মিছিলে জড়ানো যাবে না।
  8. অভিভাবক বা বাইরের কারো সাথে সাক্ষাৎ কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে।
  9. খাবার ও বোর্ডিংয়ে অপচয় করা যাবে না।
  10. সব ক্লাস ও রুটিনমাফিক কাজে নিয়মিত উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। পরীক্ষায় অসদুপায় নিষিদ্ধ।
  11. নীতিমালা ভঙ্গ করলে সতর্কীকরণ, সাময়িক নিষেধাজ্ঞা বা বহিষ্কারসহ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।